Photo: Google...

হাসান পাগলকে এ শহরের সবাই চিনতো। অতি-শিশু থেকে থুড়থুড়ে বৃদ্ধ – সবাই। তুমিও। শিশুকালের দোলনাযাপনের সময় শেষে করে তুমি যেদিন প্রথম পায়ে হেঁটে মায়ের হাত ধরে বাড়ির বড় ফটক দিয়ে বাইরে বেরুলে, সেদিনই হাসান পাগলের সাথে তোমার দেখা। মা বলেছিলেন, আয় বাবা, হাসান পাগল এসেছে ডাব পাড়তে; তোকে দেখাই। হাসানের নারকেল পাড়ার দক্ষতা একটি শিল্পের মতো। তুমি যখন মায়ের হাত ধরে বৈঠকখানার মাঠে এসে দাঁড়িয়ে হাসান পাগলকে দেখার জন্যে চারদিকে তাকালে, মা আঙুল উঁচিয়ে দেখিয়ে দিলেন এক নারকেল গাছের মাথায়।
তোমাদের বাড়ি চারদিকই নারকেল গাছে ঘেরা। সমুদ্রের মাঝে প্রত্যন্ত এক নারকেল গাছ ঘেরা দ্বীপের মতো, কোনো এক রাজার দুর্গের উঁচু দেয়ালের মতো গাছগুলো তোমাদের বাড়িকে ঘিরে রয়েছে। আকাশের দিকে তাকালেই দেখা যায়।
যে দিন থেকে নারকেল গাছগুলোর দিকে তুমি তাকানো শুরু করেছিলে, এগুলোকে একেবারেই অন্য রকম মনে হয়েছিল। লম্বা একটি গুঁড়ির মাথায় এক ঝাঁড় চুলের মতো। অন্যান্য গাছের মতো নয়। তোমাদের বাড়িতে আরও অনেক গাছ ছিল – বাতাবি-নেবু, আম, জামরুল, কাঁঠাল, পেয়ারা, আমড়া। বাড়ির সবাই খুব আনন্দের সাথে সব গাছে উঠতে পারতো, ফল পাড়তে পারতো। তবে নারকেল গাছ ছাড়া। নারকেল গাছই তোমার নজর কাড়তো সবচেয়ে বেশি। তুমি ভাবতে, এ গাছে উঠবে কে? তোমার মনে হতো বাড়িতে যত গাছ ছিল, সবগুলোতেই ওঠা সম্ভব, শুধু এই গাছগুলো ছাড়া। মাও বোধ হয় তা বুঝতেন। সে কারণেই তুমি দোলনা ছেড়ে অন্য কিছু খুঁজতেই তিনি তোমায় নারকেল পাড়া দেখাতে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। না কি তিনি তোমায় হাসান পাগলকে দেখাতে নিয়ে গিয়ে ছিলেন তা তুমি এখনও বোঝ না। হবে হয়তো। এ কালের মায়েরা যেমন তাদের সন্তানদের টেলিভিশনে বা ইউটিউবে কার্টুন দেখিয়ে ভুলিয়ে রাখেন, হয়তো তোমার মা তোমাকে নারকেল পাড়া কিংবা হাসান পাগলকে দেখিয়ে ভুলিয়ে রাখতে চাইতেন। হাসান একজন দেখার মতো মানুষ ছিল বৈকি! তাকে দেখলে শিশুদের কান্না থেমে যেত, কিশোররা ভৎসনা করতো, যুবারা খেয়ালই করতো না, বড়রা তাকে দিয়ে হাড়ভাঙা খাটুনি খাটিয়ে নিতেন।
হাসান তোমাদের অঞ্চলের মানুষ ছিল না। এ অঞ্চলে সে কোথা থেকে এসেছিল তা কেউ জানে না। অনেকে বলেন, যুদ্ধের আগে তোমাদের গড়াই নদীর উজান থেকে সে ভেসে এসেছিল। হলফ করে কেউ বলতে পারতেন না। সে নিজেও বলতো না তার জন্ম কোথায়, আদি বাসস্থান কোথায় ছিল, কেমন করে এই এলাকায় এসেছিল। আবার অনেকে বলতেন কোনো এক বাবা-মায়ের ফেলে যাওয়া সন্তান। এও বলতে শুনেছি, প্রায় একশ বছর আগে সভ্যতার সংকটের সময় নীল কুঠির এক ইংরেজ সাহেব হাসানের পূর্বপুরুষকে ধরে এনেছিল আফ্রিকা থেকে। সে সেই দাসেরই বংশধর। ছোটবেলা কেটেছে পোড়াদাহ স্টেশনে কুলির কাজ করে। তারপর চলে আসে কোর্ট স্টেশনে। একই কাজে। তাকে কুলি অবস্থায় তোমরা কেউ দেখনি; আসলে লক্ষ্যই করনি। তোমরা শুধু জানতে যে তোমাদের ছোট কাকা যুদ্ধের সময় তাকে আবিষ্কার করেছিলেন যোদ্ধাদের দলে। ষোল বছরের এক তরুণ কোথা থেকে এসে মুক্তিযোদ্ধাদের দলে যোগ দিয়েছিল, কেউ জানতো না। সে সত্যিই এই এলাকার ছেলে কি না সে প্রশ্ন কারো মনেও আসেনি। কেউ জানতে চায়নি সে কার ঘরের ছেলে। তখন যুদ্ধটাই বড় ছিল, শত্রুকে ঘায়েল করাটাই বড় ছিল। তবে যোদ্ধারা অবাক হয়ে দেখেছিল যে হাসান ট্রেনিং নিতে চাইতো না, বন্দুক চালানো শিখতে চাইতো না। বলতো, ‘ওই সব আমার দরকার হবিনানে; এই যে, হাতে এই দাও’ডা দেখিতিসিশ না, ইডা দিয়েই কতগুলোক কুপা মারি দ্যাক।’
সত্যিই তাই; কতজন শত্রুকে যে সে কুপিয়ে মেরেছিল তা তার নিজেরও হিসেব ছিল না। শুধু জানতো শত্রু মারতে হবে; আর তার দা দিয়েই। ছোট কাকা যুদ্ধের পর তোমাদের ওর গল্প শুনিয়েছিলেন। দা হাতে হাসান পাগল যা করতে পারতো, অন্য অনেক যোদ্ধা বন্দুক হাতেও তা পারতেন না। প্রায়ই কোমান্ডারের আদেশ অমান্য করে ক্যাম্প থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে যেত সে। সন্তর্পনে। পাকসেনাদের ক্যাম্পের খবর সে জানতো, বদর-রাজাকারদের বাড়ি সে চিনতো। রাতের বেলা পথ চলতে পারতো কোনো শব্দ না করেই। কেউ বুঝতো না কে পথ চলছে। গায়ের রঙ মিশমিশে কালো; মাথার চুল কিছুটা কোঁকড়ানো। আলোহীন আঁধারে কেউ তাকে দেখতে পেত না। যেন সে উড়ে-উড়ে পথ চলতো। সে সময়ই যোদ্ধারা তাকে ‘হাসান পাগল’ বলে ডাকতে শুরু করেন। ‘পাগল’ তার যুদ্ধ-উপাধি। বন্ধুক ছাড়া যে শত্রু মারতে পারে তার সাথে নিশ্চয়ই জ্বীন আছে। সে আসলে মানুষরূপী জ্বীন। সেও তখন থেকেই নিজেকে ‘পাগল’ বলেই পরিচয় দিত। রাতের আঁধারে কোনো যোদ্ধা যদি জানতে চাইতেন কে যায়, সে উত্তর দিত, ‘আমি হাসান পাগল; হাগ’তি যাস্’সি’।
যুদ্ধকালীন অনেক যোদ্ধা মুক্তিদের মাঝ থেকে হারিয়ে যেতেন। হাসান নিজ হাতে তাদের দাফন করতো। যোদ্ধারা মনে-মনে ভাবতেন হাসান কুলি না হয়ে গোরখোদক হলেও বেশ ভালো করতো। নিখুঁত খনন করতে পারতো, যেন আদর করে দেয়াল ঘেরা একটি বাড়ি তৈরি করছে।
জয়ের পর যোদ্ধারা তাদের বন্দুক জমা দিলেও হাসান তার অস্ত্র জমা দেয়নি। কেউ তার কাছে ফেরতও চায়নি। চাইবেই বা কেন; একটি দা’তো যুদ্ধাস্ত্র বলে কেউ মনে করেনি। দা’টিকে ব্যবহার করে সে নতুন পেশা বেছে নিয়েছিল। ডাব-নারকেল পাড়ার পেশা। এমন করে তরতরিয়ে নারকেল গাছে উঠতে শহরের এর আগে কেউ কাউকে দেখেনি। নারকেল পেড়ে জীবন চালানো সম্ভব – এ ভাবনা তার ভেতরে কে উস্কে দিয়েছিল কেউ জানে না, তবে তোমরা তাকে সারা শহর নারকেল কাঁধে দাপিয়ে বেড়াতে দেখেছো। সারাক্ষণই নারকেল গাছের আবডালে। এটিই ছিল তার ব্যবসা। ত্রিশ শতাংশ লাভ রাখতো। দশটি ডাব বা নারকেল পাড়লে তার মধ্যে থেকে তিনটি সে মজুরি হিসেবে নিয়ে নিতো। শহরের সব ডাব-দোকানীর সাথে তার লেনদেন ছিল। তার কাছে ত্রিশ শতাংশ বিক্রি করে ডাল-ভাতের ব্যবস্থা করতো। ভালোই চলতো তার। নারকেল তোমাদের প্রতিদিনের খাবার। এ অঞ্চলে প্রায় সব বাড়িতেই এ গাছ ছিল। নাড়ু, পিঠে, মাছের রান্না, মাংসের কোরমা – বেশির ভাগ রন্ধনেই নারকেলের প্রচলন ছিল। মুড়ি-মুড়কি খেতেও তোমাদের নারকেলের প্রয়োজন হত।
সারাদিনই হাসানের গাছে-গাছে সময় কাটতো। তোমাদের বাড়ির গাছ থেকে নেমে সে যখন তার ভাগ নিয়ে বেরিয়ে যেত, তোমার কিশোর-কিশোরী বড় ভাই-বোনদের সেখানো বুলি তুমিও উচ্চারণ করতে। ওকে ‘পাগল’ বলে ডাকতে সবার ভালো লাগতো; তোমাকেও তাইই সেখানো হয়েছিল। তুমি শুনেছিলে সবাইকে বলতে, ‘ও হাসান পাগল কনে যাইশ্? হাগতি না মুততি?’ এ বাক্য তুমিও শিখছিলে। তোমাদের জ্বালাতনের উত্তরে তার একটিই বাক্য: ‘এই লাড়িশ নি, লাড়িশ নি; লাড়লি কইল, তোদের মা’র নাম ধইরি গালি দেবোনে’। প্রথম যেদিন সে তোমাকে বলেছিল তাকে উত্যক্ত করলে সে তোমার মায়ের নাম তুলে গালি দেবে সেদিনই তোমার সম্বিৎ ফিরেছিল। তুমি তখন বেশ বড়; সপ্তম শ্রেণিতে। ব্যাপারটি নিয়ে তুমি ভেবেছিলে। মায়ের নাম ধরে গালি দেবে? কারো মাকে গালি দিলে কি সহ্য করতে পারে? কোন পরিস্থিতিতে কোনো মানুষ আরেক জন মানুষের মাকে গালি দিতে পারে? তোমরা যখন হাসানকে উত্যক্ত কর তখন সে কি বোধ করে? তার কেমন লাগে? এরপর থেকে তুমি আর কখনও ঐ বাক্য উচ্চারণ করো নি। শুধু চেয়ে-চেয়ে দেখতে হাসান পাগল কেমন করে রাস্তা দিয়ে হন-হন করে উড়ে-উড়ে হেঁটে যায় – এক বাড়ির নারকেল গাছ থেকে আরেক বাড়ির গাছে।
এক দিন শহরের এক কোনে তার বাড়ির পাড়ায় হৈ-হৈ রব উঠলো। হাসান কাকে যেন বিয়ে করে এনে ঘরে তুলেছে। হাসান একটি ভিটে তৈরি করতে পেরেছিল। ডাব-নারকেল পেড়ে, বিক্রি করে তার আয়-রোজগার মন্দ ছিল না। অনেক বছর ধরে অর্থ জমিয়ে শহরের সামান্য বাইরে পশ্চিম কিনারে এক টুকরো জমির ব্যবস্থা সে করতে পেরেছিল। সেখানে একটি ছাপড়া-ঘর তুলে বাস করতো। সেই ঘরেই বৌকে তুললো। হাসানের মতো সারাক্ষণ দৃশ্যমান একজন মানুষের বিয়ে কবে ঠিক হলো, বৌয়ের বাড়ি কোন পাড়ায়, তার বংশ কি – এসব নিয়ে কানাঘুঁষা শুরু হলো। সবাই জানলো তার সঙ্গিনীর নাম কৃষ্ণা। কৃষ্ণা কি? কৃষ্ণা কাবেরী? কৃষ্ণা কর্মকার? কৃষ্ণা সাহা? হাসান বলেছিল, ‘কৃষ্ণা, কৃষ্ণাই; ওর এ্যাক খান নাম সিলি, কিন্তু কাউক’তো দ্যাখলাম না নাম ধইরি ডাকতি।’
জন্মের সময় হাসানের নামের সাথে নিশ্চয়ই তার পারিবারিক নাম ছিল। গাঙের জলে ভেসে আসা ছেলে হয়তো কাউকে তার বাবা-মায়ের নাম বলতে পারেনি। কৃষ্ণারও যে কৃষ্ণা নামের বাইরে আর কোন নাম আছে সে সবাইকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেনি। নিকাহ-নামা লেখার সময় যখন রাবেয়া ইসলাম কৃষ্ণা নামটি উচ্চারিত হচ্ছিলো বটে, তবে তার কাছে কৃষ্ণাই মনে ধরেছে। প্রতিবেশিরা ধরেই নিলেন কৃষ্ণা কোনো এক হিন্দু ঘরের মেয়ে। হাসান নামের এক মাথা খারাপ মুসলমান বিয়ে করে এনেছে এক হিন্দু মেয়েকে। এই হিন্দু মেয়ের বাবা-মা কে? হাসানের বৌ হিন্দু না মুসলমান তা নির্নয় করাই ও’পাড়ার মানুষের মুখ্য কাজ হয়ে উঠলো। মুসলমান হয়েছে? হিন্দুকে বিয়ে করতে হলে ধর্মান্তরিত করতেই হবে; মুসলমান হওয়াতে হবে।
তারা এলো হাসানের বাড়িতে আগুন দিতে। ঠিক মাগরিবের আগে-আগে। হৈ-হৈ’টা ছিল এ নিয়েই। কাফেরকে ঘরে তোলার উচিৎ শিক্ষা দিতে হবে তাকে। হাসানও তখন বাড়িতেই। বাড়ির সামনেই আগুন-বাহিনীর কণ্ঠের গন-গন আওয়াজ। বিপদ বুঝে সে তার দা হাতে তুলে নিলো। ধাওয়া করে আগুনদারদের ছত্র ভঙ্গ করে এদিক-ওদিক তাড়া করে হটিয়ে দিল। সেদিন সবাই হাসানের রাগ দেখেছিল। উচ্চ স্বরে গালি দিতে-দিতে সে সবাইকে তার স্ত্রীর ধর্মের কথা জানালো। বোধহয় কেউ-কেউ শুনলেন, বাকিরা জানলেনও না।
টানা সাত দিন হাসান বাড়ি থেকে বেরুলো না। কৃষ্ণাকে পাহারা দিতে হবে। সে জানতো আগুনদাররা তাকে-তাকে থাকবেন। তবে বেশি দিন ঘরে বসে থাকলে ভাত জুটবে না; কাজে বেরুতে হবে।
এক সময় তার মনে হলো আক্রমণকারীরা আর আসবেন না। ঠিক তার দু’দিন পর তোমাদের বাড়ির বাইরে রে-রে শুনে তুমি বাইরে বেরিয়ে এলে। দেখলে প্রায় জনাপঞ্চাশেক তরুণ-যুবা-বৃদ্ধের ভিড় জমেছে বাড়ির সামনের আঙিনায়। সবাই একটি নারকেল গাছ নিরীখ করে বড়-বড় ইঁট-পাথর ছুঁড়ছে গাছে মাথার দিকে। কণ্ঠে অশ্রাব্য গালির বন্যা। গাছের মাথায় হাসান। তুমি বুঝে গেলে তাদের উদ্দেশ্য। তারা হাসানকে ইঁট মেরে গাছ থেকে ফেলে দিতে চায়। তোমার দাদা-চাচারা আক্রমণকারীদের থামাতে চেষ্টা করছেন; কেউ তাদের কথা শুনছে না। সবাই আজ তাকে গাছ থেকে ফেলে দিতে চায়। হাসানের গায়ে, পায়ে, হাতে আঘাত লাগছে। সে ঠেকানোর চেষ্টা করেও সফল হচ্ছে না। তার শরীরে আঘাতের চিহ্নগুলো স্পষ্ট হচ্ছে। রক্তও দেখা গেলো। তারপরও ইঁট পাটকেল ছুঁড়ছে সবাই। বোঝা গেল সে গাছ থেকে পড়ে না যাওয়া পর্যন্ত তারা মারতেই থাকবে।
আঘাত আর বেশিক্ষণ সহ্য করতে না পেরে হাসান তার হাত নিজেই আলগা করে দিল। প্রকান্ড একটি কালো শরীর উড়ে এসে শব্দ করে মাটিতে পড়লো। হৈ-হল্লার মধ্যেও হাড়ভাঙার শব্দ শোনা গেল। আক্রমনোদ্দত ভিড়ের কলরবে সে বেঁচে আছে কি না বোঝা গেল না। গাছের ওপর থেকে মাটিতে পড়েও হাসানের ‘শাস্তি’ সম্পন্ন হয়নি। মারতে আসা মানুষগুলো ঝাঁপিয়ে পড়লো তাকে একেবারে শেষ করে দিতে। হাসান পাগল অস্ফুট কণ্ঠে বলার চেষ্টা করলো, ‘উর নাম আসলে রাবিয়া; সে মুসলমান; ওকে তুরা মারিস নি য্যেন’। কেউ তার কথা শুনতে পেল বলে ঠাহর হলো না।
তোমার মনে হলো তোমাদের মুক্তিযুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি।
প্রথম প্রকাশঃ ‘গল্পকার’ ফেব্রুয়ারী ২০১৯…

One Reply to “হাসান পাগলের মুক্তিযুদ্ধ”

  1. গল্পটি খুবই ভালো লেগেছে।তবে তুমি তুমি করে না লিখে আমি আমিকরে লিখলে বেশি ভালো লাগতো। হাসান পাগলের গল্পটা সত্যিই করুণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

New Prophets

The day they wanted to cut my hair off, I lost my spirit, That says the universe Is made o…